Recents in Beach

Indian National Congress History in Bengali: প্রতিষ্ঠা, গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন ও স্বাধীনতা আন্দোলনে ভূমিকা

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ইতিহাস: প্রতিষ্ঠা, স্বাধীনতা আন্দোলনে ভূমিকা ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ভারতের আধুনিক ইতিহাস এবং স্বাধীনতা আন্দোলন সম্পর্কে জানতে গেলে Indian National Congress (INC) বা ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের ইতিহাস বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ। ১৮৮৫ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে কংগ্রেস ভারতীয় রাজনৈতিক চেতনার বিকাশ, ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলন এবং স্বাধীনতার দাবিকে সংগঠিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
Indian National Congress History in Bengali প্রতিষ্ঠা, গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন ও স্বাধীনতা আন্দোলনে ভূমিকা

আজকের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাতেও Indian National Congress History in Bengali একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। WBCS, WBPSC Miscellaneous, SSC, Railway, UPSC, Banking এবং বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরির পরীক্ষায় Congress-এর প্রতিষ্ঠা, গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন, সভাপতি, স্বাধীনতা আন্দোলন এবং ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত থেকে প্রশ্ন দেখা যায়।

এই প্রতিবেদনে ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা থেকে স্বাধীনতা এবং পরবর্তী রাজনৈতিক ইতিহাস আলোচনা করা হলো।

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস কী?

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (INC) ভারতের অন্যতম প্রাচীন রাজনৈতিক সংগঠন। এর প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ২৮ ডিসেম্বর ১৮৮৫ সালে বোম্বাইয়ে, বর্তমান মুম্বই শহরে।

প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় Gokuldas Tejpal Sanskrit College-এ এবং এতে ৭২ জন প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। প্রথম সভাপতি ছিলেন Womesh Chandra Bannerjee বা W.C. Bannerjee। 

কংগ্রেস প্রতিষ্ঠার সঙ্গে Allan Octavian Hume (A.O. Hume)-এর নাম বিশেষভাবে যুক্ত। তবে কংগ্রেসের জন্মকে শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির উদ্যোগ হিসেবে দেখা ঠিক নয়; উনিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে ভারতীয় রাজনৈতিক সচেতনতা, বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন এবং শিক্ষিত ভারতীয়দের ক্রমবর্ধমান রাজনৈতিক অংশগ্রহণও এর পটভূমি তৈরি করেছিল।

কেন ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?

উনিশ শতকের শেষভাগে ব্রিটিশ ভারতের শিক্ষিত সমাজের মধ্যে রাজনৈতিক অধিকার এবং প্রশাসনে ভারতীয়দের অংশগ্রহণ নিয়ে সচেতনতা বাড়ছিল।

ভারতীয়দের বিভিন্ন দাবি একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক মঞ্চে উপস্থাপনের প্রয়োজনীয়তা ক্রমশ অনুভূত হয়। এর আগে Indian Association, East India Association-এর মতো সংগঠন রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছিল।

Dadabhai Naoroji ১৮৬৭ সালে লন্ডনে East India Association প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, যা কংগ্রেসের পূর্ববর্তী রাজনৈতিক সংগঠনগুলির অন্যতম ছিল।

এই পরিবেশেই ১৮৮৫ সালে Indian National Congress-এর প্রথম অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

প্রথম অধিবেশন: কংগ্রেসের যাত্রার সূচনা

তারিখ: ২৮–৩০ ডিসেম্বর ১৮৮৫
স্থান: বোম্বাই
সভাপতি: W.C. Bonnerjee
প্রতিনিধি: ৭২ জন

প্রথম অধিবেশনটি মূলত Poona-তে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে কলেরার প্রাদুর্ভাবের কারণে অধিবেশনের স্থান পরিবর্তন করে Bombay করা হয়। শেষ পর্যন্ত Gokuldas Tejpal Sanskrit College-এ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। 

এই প্রথম অধিবেশন থেকেই কংগ্রেস একটি সর্বভারতীয় রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

প্রাথমিক পর্যায়ে কংগ্রেসের রাজনীতি:

১৮৮৫ থেকে বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিক পর্যন্ত কংগ্রেসের নেতৃত্বে মূলত Moderate বা নরমপন্থী নেতারা প্রভাবশালী ছিলেন।

এই পর্যায়ের উল্লেখযোগ্য নেতাদের মধ্যে ছিলেন: Dadabhai Naoroji, W.C. Bonnerjee, Surendranath Banerjee, Gopal Krishna Gokhale, Pherozeshah Mehta, Dinshaw Wacha

তাঁরা সাংবিধানিক পদ্ধতিতে রাজনৈতিক সংস্কার, প্রশাসনে ভারতীয়দের অংশগ্রহণ, আইন পরিষদের সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধানের দাবি তুলতেন।

তৎকালীন কংগ্রেসের দাবি আজকের পূর্ণ স্বাধীনতার দাবির মতো ছিল না। সময়ের সঙ্গে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ চিন্তাধারায় পরিবর্তন আসে।

1886 সালের কলকাতা অধিবেশন


প্রথম অধিবেশনের পর ১৮৮৬ সালে কলকাতায় দ্বিতীয় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়। এর সভাপতি ছিলেন Dadabhai Naoroji।

এই অধিবেশনে প্রতিনিধির সংখ্যা ৭২ থেকে বেড়ে ৪৩৪ হয়। কংগ্রেসের official historical timeline অনুযায়ী এই অধিবেশনের শেষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে Provincial Congress Committees গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

এটি কংগ্রেসের সাংগঠনিক বিস্তারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ ছিল।

Dadabhai Naoroji এবং Drain Theory


ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (INC)-এর ইতিহাসে Dadabhai Naoroji একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম।

তিনি কংগ্রেসের সভাপতি হিসেবে একাধিকবার দায়িত্ব পালন করেন—১৮৮৬ সালের কলকাতা, ১৮৯৩ সালের Lahore এবং ১৯০৬ সালের Calcutta Session-এ।

তাঁর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ধারণাগুলির একটি হলো Drain of Wealth Theory।

Naoroji যুক্তি দিয়েছিলেন যে ব্রিটিশ শাসনের অর্থনৈতিক ব্যবস্থার ফলে ভারতের সম্পদের একটি অংশ নিয়মিতভাবে ব্রিটেনে চলে যাচ্ছিল। তাঁর অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ ভারতীয় জাতীয়তাবাদী চিন্তায় গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

পরীক্ষার জন্য মনে রাখুন:
Dadabhai Naoroji → Drain Theory
Moderate থেকে Nationalist রাজনীতির দিকে পরিবর্তন

সময়ের সঙ্গে কংগ্রেসের মধ্যে আরও জোরালো জাতীয়তাবাদী মতাদর্শের বিকাশ ঘটে।

Bal Gangadhar Tilak, Bipin Chandra Pal এবং Lala Lajpat Rai-এর মতো নেতারা ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে আরও সক্রিয় রাজনৈতিক কর্মসূচির পক্ষে ছিলেন।

এই ধারাকে সাধারণত Extremist বা Assertive Nationalist ধারা হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

বিশেষ করে ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গ ভারতীয় জাতীয় আন্দোলনে একটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনে।
বঙ্গভঙ্গ, Swadeshi ও Boycott আন্দোলন

১৯০৫ সালে Lord Curzon-এর সময় বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়। এর বিরুদ্ধে বাংলায় ব্যাপক প্রতিবাদ শুরু হয়।

Swadeshi Movement এবং Boycott Movement জাতীয় আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হয়ে ওঠে।

১৯০৫ সালের Benares Session-এ Gopal Krishna Gokhale সভাপতিত্ব করেন এবং Bengal Partition-এর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। Congress-এর session archive-এ Swadeshi এবং Boycott-এর বিষয়টির উল্লেখ রয়েছে। 

এই সময় দেশীয় পণ্য ব্যবহারের পাশাপাশি বিদেশি পণ্য বর্জনের ধারণা জনপ্রিয় হয়।
1907 সালের Surat Split

কংগ্রেসের ইতিহাসে Surat Session of 1907 একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।

Moderate এবং Nationalist নেতাদের মধ্যে মতপার্থক্য তীব্র হয়ে ওঠে এবং শেষ পর্যন্ত কংগ্রেসে বিভাজন দেখা দেয়।

এই ঘটনাকে সাধারণভাবে Surat Split বলা হয়।

Exam Point:
1907 → Surat Split → Moderates ও Nationalists-এর বিরোধ
Lucknow Session, 1916

১৯১৬ সালের Lucknow Session কংগ্রেসের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশন।

এই সময় কংগ্রেসের Moderate ও Nationalist ধারার মধ্যে পুনর্মিলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় তৈরি হয়। একই সময়ে Congress এবং All-India Muslim League-এর মধ্যে Lucknow Pact-এর মাধ্যমে রাজনৈতিক সমঝোতার ঘটনাও ইতিহাসে বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

এই সময় ভারতের স্বশাসনের দাবিও আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

Gandhi ও Congress-এর নতুন পর্যায়


মহাত্মা গান্ধীর ভারতীয় রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা শুরু হওয়ার পর কংগ্রেসের রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন দেখা যায়।

গান্ধীর নেতৃত্বে Congress ক্রমশ বৃহত্তর জনসমাজের সঙ্গে যুক্ত হয়।

তাঁর নেতৃত্বে বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্দোলন সংগঠিত হয়:
Non-Cooperation Movement — 1920

ব্রিটিশ প্রশাসনের সঙ্গে অসহযোগ এবং স্বদেশি প্রতিষ্ঠানকে উৎসাহ দেওয়ার কর্মসূচি নিয়ে এই আন্দোলন শুরু হয়।
Civil Disobedience Movement

ব্রিটিশ সরকারের আইন অমান্য করে রাজনৈতিক প্রতিবাদ সংগঠিত করার কর্মসূচি Civil Disobedience Movement-এর অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
Quit India Movement — 1942

১৯৪২ সালে Congress-এর নেতৃত্বে Quit India Movement বা ভারত ছাড়ো আন্দোলন শুরু হয়।

এই আন্দোলনের সঙ্গে “Do or Die” স্লোগানটি বিশেষভাবে যুক্ত।

Lahore Session, 1929: Purna Swaraj-এর গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়


১৯২৯ সালের Lahore Session ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস-এর ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই অধিবেশনের সভাপতি ছিলেন Jawaharlal Nehru।

এই অধিবেশনে ভারতের রাজনৈতিক লক্ষ্য হিসেবে Purna Swaraj বা Complete Independence-কে সামনে আনা হয়। Congress-এর official session archive-এ ১৯২৯ সালের Lahore Session-এর প্রধান resolution হিসেবে independence-এর বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। 

এর পর স্বাধীনতার দাবিকে আরও সুস্পষ্ট রাজনৈতিক লক্ষ্য হিসেবে সামনে আনা হয়।

মনে রাখুন:
Lahore Session → 1929 → Jawaharlal Nehru → Purna Swaraj
Karachi Session, 1931 এবং Fundamental Rights

১৯৩১ সালের Karachi Session-এর সভাপতি ছিলেন Sardar Vallabhbhai Patel।

এই অধিবেশনের বিশেষ গুরুত্ব হলো Fundamental Rights এবং National Economic Programme সম্পর্কিত resolution।

Congress-এর historical session record অনুযায়ী Karachi Session-এ Fundamental Rights নিয়ে resolution গ্রহণ করা হয় এবং অর্থনৈতিক কর্মসূচির বিষয়ও গুরুত্ব পায়। 

ভারতের পরবর্তী সাংবিধানিক বিকাশের ইতিহাসে এই resolution বিশেষভাবে আলোচিত হয়।

Exam Point:
Karachi, 1931 → Fundamental Rights + National Economic Programme

স্বাধীনতা আন্দোলনে Congress-এর ভূমিকা


ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন বহু সংগঠন, নেতা, বিপ্লবী, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, নারী এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সংগ্রামের ফল। এই বৃহত্তর আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মঞ্চ ছিল ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস।

Congress-এর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বিভিন্ন সময়ে ভিন্ন রূপ নিয়েছে। প্রথমদিকে সাংবিধানিক সংস্কারের দাবি থেকে শুরু করে পরবর্তীকালে স্বরাজ, পূর্ণ স্বাধীনতা এবং ব্রিটিশ শাসনের অবসানের দাবিতে আন্দোলন পর্যন্ত এর রাজনৈতিক অবস্থানের পরিবর্তন ঘটে।

এই পরিবর্তনকে বোঝার জন্য 1885 থেকে 1947 পর্যন্ত কংগ্রেসের ধারাবাহিক ইতিহাস পড়া গুরুত্বপূর্ণ।

জাতীয় কংগ্রেসের গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনসমূহ (Important INC Sessions)
পরীক্ষার জন্য জাতীয় কংগ্রেসের কিছু নির্দিষ্ট বার্ষিক অধিবেশন ও তাদের গুরুত্ব মুখস্থ রাখা বাধ্যতামূলক:
সাল (Year)স্থান (Venue)সভাপতি (President)বিশেষ গুরুত্ব ও ঐতিহাসিক ঘটনা (Significance)
১৮৮৫বোম্বাইউমেশচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়প্রথম অধিবেশন, ৭২ জন প্রতিনিধি উপস্থিত।
১৮৮৬কলকাতাদাদাভাই নওরোজিপ্রথম পার্সি সভাপতি এবং সদস্য সংখ্যা বৃদ্ধি।
১৮৮৭মাদ্রাজবদরুদ্দিন তৈয়বজিপ্রথম মুসলিম সভাপতি।
১৮৮৮এলাহাবাদজর্জ ইউলপ্রথম ব্রিটিশ/ইউরোপীয় সভাপতি।
১৮৯৬কলকাতারহিমতুল্লাহ এম. সয়ানীপ্রথমবার বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘বন্দে মাতরম্‌’ গানটি গাওয়া হয়।
১৯০৬কলকাতাদাদাভাই নওরোজিপ্রথমবার ‘স্বরাজ’ (Swaraj) শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
১৯০৭সুরাটরাসবিহারী ঘোষনরমপন্থী ও চরমপন্থী দলের মধ্যে সুরাট বিভাজন ঘটে।
১৯১১কলকাতাবিষণ নারায়ণ ধরপ্রথমবার রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জন গণ মন’ (জাতীয় সঙ্গীত) গাওয়া হয়।
১৯১৬লখনউঅম্বিকাচরণ মজুমদারনরমপন্থী-চরমপন্থীদের মিলন এবং মুসলিম লীগের সাথে চুক্তি।
১৯১৭কলকাতাঅ্যানি বেসান্তপ্রথম মহিলা সভাপতি (অ্যানি বেসান্ত ছিলেন আইরিশ বংশোদ্ভূত)।
১৯২৪বেলগাঁওমহাত্মা গান্ধীমহাত্মা গান্ধী তাঁর জীবনে একমাত্র এই একবারই কংগ্রেসের সভাপতি হন।
১৯২৫কানপুরসরোজিনী নাইডুপ্রথম ভারতীয় মহিলা সভাপতি।
১৯২৯লাহোরজওহরলাল নেহেরুঐতিহাসিক ‘পূর্ণ স্বরাজ’ (Complete Independence) প্রস্তাব গৃহীত হয়। ২৬ জানুয়ারি ১৯৩০-কে প্রথম স্বাধীনতা দিবস হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৯৩৮হরিপুরাসুভাষচন্দ্র বসুসুভাষচন্দ্র বসু সর্বসম্মতিক্রমে সভাপতি নির্বাচিত হন এবং জাতীয় পরিকল্পনা কমিটি গঠিত হয়।
১৯৩৯ত্রিপুরীসুভাষচন্দ্র বসুগান্ধীজির মনোনীত প্রার্থী পট্টভি সীতারামায়াকে পরাজিত করে সুভাষচন্দ্র পুনরায় জয়ী হন। পরে মতবিরোধের জেরে পদত্যাগ করে তিনি ‘ফরওয়ার্ড ব্লক’ গঠন করেন।
১৯৪৬মিরাটজে. বি. কৃপালনীভারতের স্বাধীনতার প্রাক্কালে (১৯৪৭ সালে) তিনি কংগ্রেসের সভাপতি ছিলেন।

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস (INC) থেকে পরীক্ষায় কী পড়বেন?

Competitive Exam-এর জন্য পুরো বিষয়টি পড়ার সময় শুধু নেতা ও সাল মুখস্থ না করে নিচের পাঁচটি বিষয়কে একসঙ্গে পড়ুন: সাল → স্থান → সভাপতি → ঘটনা → গুরুত্ব

যেমন: 1929 → Lahore → Jawaharlal Nehru → Purna Swaraj → স্বাধীনতার লক্ষ্য স্পষ্টীকরণ
আবার, 1931 → Karachi → Sardar Patel → Fundamental Rights → মৌলিক অধিকার ও অর্থনৈতিক কর্মসূচির resolution

Indian National Congress-এর ইতিহাস ভারতের আধুনিক ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৮৮৫ সালে Bombay-তে প্রথম অধিবেশন থেকে শুরু করে স্বাধীনতা আন্দোলনের বিভিন্ন পর্যায়, Purna Swaraj-এর দাবি, Civil Disobedience, Quit India Movement এবং স্বাধীনতার পরের রাজনৈতিক পরিবর্তন—সব মিলিয়ে Congress-এর ইতিহাস দীর্ঘ ও বহুমাত্রিক।

তবে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামকে কেবল Congress-এর ইতিহাস হিসেবে দেখা উচিত নয়। বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠন, বিপ্লবী, সমাজসংস্কারক, কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, নারী এবং অসংখ্য সাধারণ মানুষের অবদানও স্বাধীনতা আন্দোলনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ